‘ডিসেম্বর স্টেটমেন্টে’ দলের অন্দরে অসন্তোষ ছড়িয়েছে। চাপের মুখে স্বীকার করে নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে একপ্রকার মেনেই নিলেন যে, এই ডিসেম্বর তত্ত্ব সম্পূর্ণই তাঁর নিজস্ব বক্তব্য ছিল। সেক্ষেত্রে দলের অনুমোদন ছিল না। যা নিয়ে কার্যতই গুঞ্জন রাজনৈতিকমহলে।
তারমধ্যেই ১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু, ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিরোধী দলনেতা বেরিয়ে আসার পরে পদপিষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে তৃণমূলও বিরোধী দলনেতার ‘তারিখ গণনা’ নিয়ে নিশানা করে। অবশেষে এহেন চাপের মুখে পড়ে বক্তব্যের দায় নিজের ঘাড়ে নিলেন শুভেন্দু।
হাওড়া ব্যাণ্ডেলের সভায থেকে বিরোধী দলনেতার উবাচ, ‘এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে এ কথা বলেছিলাম। এ নিয়ে কারও মধ্যে বিভ্রান্তি রাখার কোনও প্রয়োজন নেই।’ অপরদিকে, বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভাতেও আবার শুভেন্দু বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই কথা বলেছিলাম। ডিসেম্বর না হলে জানুয়ারিতে হবে। চোর, ডাকাতদের জেলে ঢুকতেই হবে।’
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, গতকালই আসানসোলে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার অনুমতি মেলেনি কলকাতা হাইকোর্টের তরফে। শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের নির্দেশ দেন, আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী পদক্ষেপে সামিল হতে পারবে না উচ্চ আদালত। পাশাপাশি, গত সপ্তাহে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সঙ্গে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা জানান, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এর পর থেকে কোনও মামলা করতে গেলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।







