আমাদের সমাজে এখনও অনেক মেয়ে আছে যারা স্বামীদের উপর নির্ভর করে বেঁচে রয়েছে। কিন্তু স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেকের অবস্থা করুন প্রকৃতির হয়। তাদের কথা চিন্তা করে সরকার চালু করেন বিধবা ভাতা। কিন্তু এই বিধবা ভাতা নিয়েই এবার দূর্নীতি শুরু হয়েছে জনগণের মধ্যে। স্বামীরা রয়েছে বহাল তবিয়তে। কিন্তু তাও স্ত্রীরা নিজেদেরকে বিধবা বলে পরিচয় দেন। কিন্তু কেন তারা এই কাজ করেছেন? পুলিশ সূত্রে খবর তাঁদের লক্ষ্য ছিল আসলে বিধবা ভাতা। সেই লক্ষ্যেই ভুল তথ্য দিয়েই কেউ গত বছরের জুন মাস থেকে, কেউ আবার জানুয়ারি থেকে বিধবা ভাতা নিচ্ছেন।এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল ১২ জন মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের সিমডেগার এলাকায়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তবে এ ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন সাধারণ মানুষ।এবার ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়ল ভুয়ো উপভোক্তা। এই বিষয়ে বিডিও পঙ্কজ কুমার জানান, অনেক দিন ধরেই ওই ১২ জন মহিলা অনৈতিক ভাবে সরকারি ভাতা নিচ্ছিলেন। প্রশাসনের তরফে নতুন অডিট হওয়ার সময়ই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।এরপর পুলিশের কাছে তিনি অভিযুক্তদের নাম বলেন।
কিন্তু, কী ভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় এতগুলি মাস ধরে তারা সরকারি ভাতা পেয়ে আসছেন? এ বিষয়ে কোন উত্তর পাওয়া না গেলেও মনে করা হচ্ছে ওই মহিলারা সম্ভবত নথি নকল করে অথবা ভুয়ো তথ্য দিয়ে এই কাজ করেছেন।তবে কি প্রশাসনের অন্দরেই দুর্নীতি হয়েছে? গোটা বিষয়টা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।







