ছোট থেকে সবাই শুনে আসছি নরম গরম ফুলকো রুটি। চৌকো রুটি কেউ আর বলে না।পরোটা ত্রিকোণা বা গোলকাকার হলেও, রুটি কিন্তু সব সময়ই গোল হয়। এবার এই রুটির শেপ কেন গোলাকার তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ বিশ্বাস করেন, বহুযুগ আগে সৈন্যরা যখন যুদ্ধে যেতেন তখন এই খাবার তাদের সঙ্গে দেওয়া হত। তখন এর আকার ছিল একটি বাটির মতো, যার মধ্যে সবজি ছিল।সেই গোল বাটিতে যাতে ঠিকমতো ধরে যায় খাবার তার জন্য গোলাকার রুটি বানানো হত আর সেখান থেকে আজ পর্যন্ত যখনই রুটি বানানো হয় তা গোলাকার হয়।
তবে রুটি গোল করে তৈরি করার পেছনে আরও কিছু কারণ রয়েছে। কারণ গোল করে তৈরি করলে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।আমরা সব সময় বলে থাকি যে ফুলকো রুটি, রুটি তখনই ফুলবে যখন তা গোল বেলা হবে। আটা বা ময়দা ভালো করে মেখে গোলা আকারে গড়লে রুটিগুলো ভালোভাবে ফুলে ওঠে। আসলে সঠিক ভাবে রুটি ফোলার জন্য সমান ভাবে গোল করে বেলতে হয়।রুটি গোল করে না বেলা হলে চারিদিকে সমান ভাবে তাপ ছড়িয়ে পড়ে না। ফলে একদিকের অংশ ফুললেও অন্যদিক কাঁচাই থেকে যায়। রুটির আকার গোল হওয়ার পিছনে এই কারণটিও দায়ী।রুটি গোলাকার হলে সব অংশে ঠিকমতো তাপ ছড়িয়ে পড়ে। আর গোল করে রুটি বেলাটাও একটা আর্ট। সবাই তা পারেন না। গোল রুটি বেলতে প্রয়োজন হাত যশের।অনেকে বলেন মাথা গোল তাই রুটি-লুচিও গোল। নইলে রুটি কখন কোন দেশের মাপ হবে তা বলা যায় না। আর রুটি গোল হয় বলেই রোল বা অন্যান্য খাবার বানাতেও কিন্তু সুবিধে হয়। ঠিকভাবে বানানো আর প্যাকিং করা যায়।







