পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান সদর থানার পুলিশের সামনে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা ।
উলেখ্য গত শনিবার রাত নটার সময় সরাইটিকর দক্ষিণ পাড়ার শেখ রুবেল নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। সোমবার শেখ রুবেলকে বর্ধমান আদালতে তোলার সময় পরিবারের সদস্যদের বলে পুলিশ তাঁর হাতে গাঁজা ধরিয়ে জোর করে গ্রেফতার করে। কার্যত এই কথা শুনে রুবেলের পরিবারের স্ত্রী ,বাবা ,দিদি ও অন্যান্য পরিবারের পাঁচজন বর্ধমান থানায় পৌঁছে রুবেলের রেহাইয়ের দাবি জানাতে থাকে,এরপর রুবেলের স্ত্রী ফিরদৌস বিবি ও বাবা শেখ লতিফ পেট্রোলের ভর্তি বোতল খুলে নিজের গায়ে ঢেলে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে, তৎক্ষণাৎ উপস্থিত মহিলা পুলিশ কর্মীরা হাত থেকে বোতল কেড়ে নেয়, কিন্তু রুবেল শেখের রেহাইয়ের দাবিতে রীতিমতো চেঁচাতে থাকে পরিবারের সদস্যরা।
এমত অবস্থায় রুবেলের পরিবারবর্গ জানান,গোটা পরিবারের রুজি রুটির দায়িত্ব একমাত্র রুবেলের তাঁকেই যদি বিনা দোষে পুলিশ গ্রেফতার করে তাহলে না খেয়ে আমরা মরবো, তাই বেঁচে যদি না থাকতে পারি তাই বর্ধমান থানায় এসে পুলিশের সামনে আত্মহত্যা করতে আসে। শরিফা বেগম রুবেলের দিদি তিনি বলেন, আমার ভাই ৪-৫ বছর জেল খেটেছে গাজার কেসে কিন্তু সে কোন দোষ করে নি। পুলিশ শুধুই গাঁজার কেস দিয়েছে ভাইয়ের নামে। ভাই জেল থেকে বেরোতেই স্যারেরা(পুলিশ) বলেছিল বাইরে চলে যা, ভাই আট মাস যাবৎ বাইরে চলেও গিয়েছিল কিন্তু কোথায় চলে গিয়েছিল জানিনা। এই দুই দিন হল বাড়িতে ফিরেছে সে। শনিবার দিন বাড়ির কাছাকাছি রাস্তার ওপর বসেছিল পুলিশ খবর পেতেই সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায় ভাইকে। এখন আমার ভাই পুলিশ হেফাজতে আত্মহত্যা করবে বলছে। আমরা চাই ভাইকে ছেড়ে দেওয়া হোক।
পাশাপাশি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মাদক কেসে চার-পাঁচ বছর জেল হাজতে ছিল রুবেল শেখ এবং এই কাজে সে এখন পর্যন্ত লিপ্ত তাই পুলিশ খোঁজ চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।






