ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়ে গেছে লোকসভার ভোটের নির্ঘন্ট। আর লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই জোর কদমে চলছে প্রচার কর্মসূচি। আর রাজ্য রাজনীতিতেও চলছে কথার মারপ্যাঁচ। কেউ কাউকে ছাড়ার পাত্র নয় তা শাসক বা বিরোধী যেই হোক না কেন।
বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারে নেমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন বিজেপি নেতাকে শোকজ করেছে এমনকি বিজেপিও।
প্রচারে বেরিয়ে এই প্রসঙ্গ টেনে কীর্তি আজাদ বলেন,”‘দিলীপ ঘোষের মতো খারাপ মুখের ভাষার মানুষ দেখা যায় না। উনি নিজের মাকেও সম্মান করতে জানেন না। আর এরকম মানুষ মহিষাসুরের মতো হন। যার সমাজে কোনও স্থান হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দিলীপ ঘোষকে শোকজ করেছে ওঁর দলই। এটা ভারতীয় জনতা পার্টির গ্যারান্টির শোকজ। ২০২২ এ সবাইকে মাথার ছাদ দেবে বলেছিল। ২০৪৭ এ সেই প্রতিশ্রুতি পৌঁছেছে। এরা মিথ্যে গ্যারান্টি দিয়ে চলেছে। ভাইয়ের সঙ্গে ভাইকে লড়াইয়ে দিতে চাইছে। মহিলাদেরও সম্মান করেন না। মমতাদিদির নামেও যা খুশি তাই বলছে। জয় শ্রী রাম বলেন আরএসএস-এর লোকেরা। জয় সীতা রাম তো বলে না। কেন? দিলীপ ঘোষের উচিত লজ্জায় জলে ঢুবে মরে যাওয়া। মানসিক বিকারগ্রস্থ উনি। বিজেপির উচিত ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। প্রয়োজনে আমি ওঁকে বিনামূল্যে চিকিত্সার ব্যবস্থা করে দেব।’
এই দিন প্রচারে বেরিয়ে এলাকাবাসীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
“সকলের মধ্যে আলাদাই ভালবাসা আছে, কর্মীরাও প্রচার ঘিরে উজ্জীবিত। সত্যিই সকলকে দেখে খুব ভাল লাগছে। যেভাবে সকলে আশীর্বাদ দিচ্ছেন। আমি নিশ্চিত সকলের এই ভালবাসায়, আশীর্বাদেই আমরা জয়লাভ করব।”







