ফের বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুজোর আগে দিনগনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারই মধ্যে হিন্দু মন্দির ও প্রতিমাগুলির উপর আক্রোশ পরলো দুষ্কৃতিদের। বাংলাদেশ পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
উৎসবের মোরশুমে হিন্দু মন্দির ও প্রতিমাগুলির উপর হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেই ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি কি হয়েছে। প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা এবং হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠে এলো ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলার সদর বাজার এলাকায়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিশ। এমনকি পূজার সময় এমন আক্রমণ নিয়মিত ঘটতে থাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে।
এ প্রসঙ্গে হরি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তরুণচন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, ‘কয়েকদিন আগে মৃৎশিল্পীরা মাটির কাজ শেষ করে গিয়েছেন। বৃষ্টি বাদলা কাটলে প্রতিমা রং করার কাজ শুরুর পরিকল্পনা করছিলাম। মোট ১৪টি প্রতিমা রয়েছে সেখানে। তার মধ্যে ৮টি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। কোনওটার হাত, পা, কোনওটার আবার মাথা ভেঙে দিয়ে গিয়েছে। আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানিয়েছি। পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমরা এর বিচার চাই।’
এ প্রসঙ্গে ফরিদপুরের ঘটনায় স্থানীয় থানার ওসি জানিয়েছেন, ‘পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।’







