শুভমান গিলের ব্যাটে শতরান, কিন্তু দলকে বাঁচাতে পারলেন না। কর্ণাটকের বিপক্ষে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর ১০২ রানের লড়াকু ইনিংসও পাঞ্জাবকে ইনিংস ও ২০৭ রানের ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি। তবে এই শতরান গিলের জন্য ছিল মানসিক দৃঢ়তার এক অনন্য উদাহরণ।
প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে গুটিয়ে যাওয়া পাঞ্জাব দ্বিতীয় ইনিংসে কর্ণাটকের ৪২০ রানের লিডের সামনে পড়ে। গিল নিজের আগের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মনোযোগ দেন ধৈর্য ও শৃঙ্খলায়। প্রথম ৪০ রান করতে লাগে ১৩০ বল, যেখানে কর্ণাটকের সুইং বোলারদের সামলে ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন নিজের ইনিংস।
গিল বলেন, “আগে আমি মাঝেমধ্যে অল্প রান করার পরেই বড় ইনিংসের চাপে মনোযোগ হারাতাম। এবার চেষ্টা করেছি নিজের খেলায় মনোযোগ ধরে রাখতে।”
শুরুতে ধৈর্যশীল গিল পরে হাত খোলেন, পরপর ছয় ও চারের মার দিয়ে দ্বিতীয় পঞ্চাশ রান তোলেন মাত্র ৪০ বলে। তাঁর ইনিংসটি মাঠে উপস্থিত ২০০ দর্শকের প্রশংসা পায়। যদিও শ্রীয়াস গোপালের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যাওয়ার সময় গিলের হতাশা চোখে পড়ে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে এই ইনিংস গিলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। ভারতের সহ-অধিনায়ক হিসেবে গিল হয়তো এখান থেকে শিখে আরও বড় মঞ্চে নিজেকে তুলে ধরবেন।







