নিজস্ব সংবাদদাতা : কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ ববিতা সরকারের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল । স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে যে তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল এবং বাকি সব তথ্য খতিয়ে দেখে আদালত নির্দেশ দিল ববিতা সরকারের চাকরি বাতিল করার । কলকাতা হাইকোর্টের মারফত বলা হয়েছে, ১৯ মে ববিতার কাছে জমা থাকা ১৫ লাখ টাকা রেজিস্ট্রার জেনারেলকে জমা দিতে হবে। কিন্তু ববিতার আবেদন ছিল, এসএসসি একবারও তাঁকে জানায়নি এটি ভুল ছিল। যদিও তিনি বলেন তাঁর টাকা ফেরত দিতে কিছুটা সময় লাগবে । আদালতে ববিতা জানান, আজই তিনি ১১ লাখ টাকা জমা দিতে পারবেন। কিন্তু বাকি টাকার দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে তিন মাস সময় চান তিনি । তবে আদালত বাকি টাকা ৫ জুনের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়াও আদালত আরও জানিয়েছে, ববিতা চাকরি পাওয়ার যে অর্জিত কয়েক মাসের বেতন অনামিকাকে ফেরত দিতে হবে না ।
উল্লেখ্য, ববিতার অ্যাকাডেমিক স্কোর কম ছিল । ফলে সব দিক বিবেচনা করে হাইকোর্ট ববিতার চাকরি বাতিল করার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে মামলাকারী অনামিকা রায়কে চাকরি দেওয়ার জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । আদালতের মন্তব্য, অনামিকাকে আর বেশিদিন ভোগানো উচিত নয় । আদালত তিন সপ্তাহের মধ্যে অনামিকাকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে । বাড়ি থেকে ২০ কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যদিও ববিতা একাদশ-দ্বাদশ পরীক্ষায় বসতে পারবে। তিনি ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম যোগ্য প্রার্থী ছিলেন। এই জন্য তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করবে কমিশন। গোটা ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ।







