দেশের হয়ে ইউরো কাপ খেলার মাঝেই বিস্ফোরক পরিস্থিতি পোল্যান্ড শিবিরে। জাতীয় দলের কোচ মিকাল প্রোবিয়ার্জ় অবশেষে পদত্যাগ করলেন। যদিও সদ্যই তাঁরা এক জয় পেয়েছিলেন, তবু কোচের সরে দাঁড়ানো পোলিশ ফুটবলের অন্দরে এক অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। দলের সেরা তারকা রবার্ট লেয়নডস্কির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিই যে এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ, তা নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই।
ঘটনার সূত্রপাত অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া থেকে। লেয়নডস্কির কাছ থেকে ব্যান্ডটি তুলে দেওয়া হয় ইন্টার মিলানের মিডফিল্ডার পিয়োতর জিয়েলিনস্কির হাতে। গভীর রাতে ফোনে লেয়নডস্কিকে এই সিদ্ধান্ত জানান কোচ মিকাল। এই আচরণে ক্ষুব্ধ লেয়নডস্কি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “দেশের হয়ে এত বছর খেলার পর সম্মানটুকু প্রাপ্য ছিল। সামনাসামনি বলা উচিত ছিল।” এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরণ ঘটান তিনি— যতদিন কোচ থাকবেন, ততদিন আর দেশের হয়ে খেলবেন না।
মিকালের ইস্তফার পর লেয়নডস্কি ফের দলে ফিরবেন কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। কোচ তাঁর বিবৃতিতে জানান, “জাতীয় দলের কোচ হওয়া আমার স্বপ্ন ছিল। তবে এই মুহূর্তে ইস্তফা দেওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত।” ২০২৩ সালে ফের্নান্দো সান্তোসের জায়গায় আসা এই কোচ ২০২৪ ইউরো কাপেই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দলকে, কিন্তু প্রথম দল হিসাবে ছিটকে যায় পোল্যান্ড। ফলে চাপ ছিলই। লেয়নডস্কি-মিকাল দ্বন্দ্ব সেই চাপকে বিস্ফোরণে রূপ দেয়।







