একদিকে উপ-রাষ্ট্রপতি পদ থেকে জগদীপ ধনখড়ের আচমকা ইস্তফা ঘিরে জোর জল্পনা—অন্যদিকে ইতিমধ্যেই পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি বাছাইয়ে তৎপর বিজেপি। সূত্রের খবর, শরিক দলগুলোর বর্ষীয়ান নেতাদের নাম উঠে এলেও বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব এই সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিয়েছে।
দলীয় সূত্রের দাবি, উপরাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে এমন কাউকেই বসানো হবে, যিনি বিজেপির মূল ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ফলে শরিকদের জন্য এই পদ ‘উপহার’ হিসাবে ছাড়ার প্রশ্নই নেই।
জল্পনায় ছিলেন জেডিইউ নেতা রামনাথ ঠাকুর, এমনকী নীতীশ কুমারের নামও ভেসে উঠেছিল। হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের নাম নিয়েও চলছিল চর্চা। কিন্তু সূত্র বলছে, বিজেপি এই পদে বিহার বা দক্ষিণ ভারতের কোনও নেতা বেছে নিতে পারে—তবে তিনি হবেন নিখাদ গেরুয়া ঘরানার।
উল্লেখ্য, উপ-রাষ্ট্রপতি পদ খালি রাখা যায় না। সংবিধান অনুযায়ী, দ্রুত নির্বাচন করানো বাধ্যতামূলক। সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৩ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ইলেক্টোরাল কলেজ গঠনের কাজ চলছে। এখনও চূড়ান্ত হয়নি রিটার্নিং অফিসার। তবে খুব শীঘ্রই ভোটের দিন ঘোষণা করা হবে।
কার পক্ষে বাজি খেলবে বিজেপি? ‘চমক’ আসবে কি? আপাতত সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।







