গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। যেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার সকালে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিলেন পরবর্তী মন্ত্রিসভার তারিখ ঘোষণা করেন। সাধারণত দু’টি বৈঠকের মধ্যে ১০ দিন বা তার বেশি ব্যবধান থাকে। তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই বৈঠকে হওয়ায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, সোমবারের বৈঠক শেষ হতেই পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। সেই বৈঠকে ‘দুর্গা অঙ্গন’ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গঠন, কলকাতায় ছোট জমিতে বাড়ি নির্মাণ নীতি ও শালবনীর দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যসচিবের বিজ্ঞপ্তি জানা গেছে আগামী অর্থাৎ সোমবার ১৮ই অগস্ট ঠিক বিকেল ৪টের সময় হবে এই বৈঠক।
এবার তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকার নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তাৎপর্য। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের দ্বন্দ্ব ক্রমেই বৃদ্ধি হচ্ছে। এমনকি বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থা ও বাংলা ভাষায় কথা বলায় আক্রমণের অভিযোগ সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহল অনুমান করছে এই সংবেদনশীল বিষয়গুলি নিয়েই আগামী বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। নবান্নের অলিন্দে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—আগামী সোমবারের বৈঠক কি শুধুই প্রশাসনিক, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় রাজনৈতিক বার্তা?







