অভিষেক শর্মার ব্যাটে ভর করেই এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩৭ বলে ঝোড়ো ৭৫ রানের ইনিংস ভারতকে শক্ত ভিত দিয়েছিল। তবে শুভমন গিল বাদে আর কেউ সেভাবে রান না পেয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন। কোচ গৌতম গম্ভীরের ব্যাটিং অর্ডারে হঠাৎ পরিবর্তন এই সমস্যাকে আরও জটিল করেছে। শেষ পর্যন্ত বোলারদের দাপটে ৪১ রানে জয় এলেও ফাইনালের আগে ভারতীয় ব্যাটিং নিয়ে উদ্বেগ থেকেই গেল।
শুরুটা দারুণ করেছিল ভারত। প্রথম ছয় ওভারে ৭২ রান তুলে নেন অভিষেক-গিল জুটি। তবে শিবম দুবেকে তিন নম্বরে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ছন্দপতন ঘটে। শিবম ব্যর্থ হন, আর সূর্যকুমার ও তিলক বর্মাও নিজেদের স্বাভাবিক জায়গায় নামতে না পেরে ব্যর্থ হন। সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে অভিষেকের রানআউটের পর। ফলে একসময়ে ২০০ রানের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভারত থামে ১৬৮ রানে।
বাংলাদেশের সামনে ১৬৯ রানের লক্ষ্য তুলনামূলক সহজ মনে হলেও বুমরাহের দাপটে শুরুতেই ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং। একাই লড়াই চালান সইফ হাসান, করেন ৫১ বলে ৬৯ রান। কিন্তু অন্যদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ থামে ১২৭ রানে। ভারতের হয়ে কুলদীপ নেন ৩ উইকেট, বুমরাহ ও বরুণ চক্রবর্তী পান ২টি করে। তবে ভারতের চিন্তা থেকে যাচ্ছে ফিল্ডিং নিয়েও—পুরো টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যেই ১২টি ক্যাচ ফসকেছে।
ফাইনালের আগে তাই ভারতের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ব্যাটিং অর্ডার কি স্থির হবে? নাকি একই অস্থিরতা ফাইনালে ভোগাবে সূর্যকুমারদের? বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় স্বস্তি দিলেও চূড়ান্ত পরীক্ষার আগে গম্ভীরকে স্পষ্ট কৌশল বের করতে হবে, নইলে শিরোপার লড়াই কঠিন হয়ে উঠতে পারে।







