মুম্বই কি আদৌ নিরাপদ? এই প্রশ্নই যেন নতুন করে সামনে আনলেন সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার উরফি জাভেদ। রবিবার গভীর রাতের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর সোমবার ভোররাতে বোন ডলি জাভেদকে সঙ্গে নিয়ে থানায় ছুটতে দেখা গেল তাঁকে। দাদাভাই নওরোজি থানায় তোলা একটি ছবি নিজেই সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়ে আতঙ্কের রাতের কথা জানান উরফি।
ইনস্টাগ্রামে করা পোস্টে উরফি লেখেন, “ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা। আমি থানায় বসে রয়েছি। এটা আমার জীবনের সবথেকে ভয়ানক অভিজ্ঞতা। সারা রাত আমি আর আমার বোন এক মিনিটের জন্যও ঘুমোতে পারিনি।” একই ছবি শেয়ার করে ডলি জাভেদও লেখেন, “আমি ভেবেছিলাম মুম্বই নিরাপদ শহর। কিন্তু গত এক সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন অনিরাপদ ও বিরক্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম।”
যদিও ঠিক কী কারণে এই আতঙ্ক, সে বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি দুই বোনের কেউই। অভিযোগের ধরন কিংবা ঘটনার বিস্তারিত এখনও স্পষ্ট নয়। তবে উরফির পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে অনুরাগীদের মধ্যে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, উরফি ও তাঁর বোন হয়তো হেনস্তা বা ভয় দেখানোর শিকার হয়েছেন। আবার কেউ কেউ তাঁর খোলামেলা পোশাক ও জনপ্রিয়তার সঙ্গে এই ঘটনার যোগসূত্র খুঁজতে শুরু করেছেন, যা নিয়েও বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
প্রসঙ্গত, সিনেমা বা ধারাবাহিকে বিশেষভাবে দেখা না গেলেও সোশাল মিডিয়ায় উরফি জাভেদ এক পরিচিত নাম। উদ্ভট ও সাহসী ফ্যাশন স্টেটমেন্টের জন্য তিনি যেমন ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন, তেমনই বারবার কটাক্ষ ও সমালোচনার মুখেও পড়েছেন। খোলামেলা পোশাক নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকেও আক্রমণ এসেছে তাঁর দিকে। সম্প্রতি একটি রিয়্যালিটি শো জয়ের পর ফের চর্চায় উঠে এসেছিলেন উরফি।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর “ভয়ানক অভিজ্ঞতা” সংক্রান্ত ইঙ্গিত নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে নেটদুনিয়ায়। কী ঘটেছিল সেই রাতে? আদৌ কি শহরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠে আসবে? উত্তর এখনো অজানা।







