নিজস্ব সংবাদদাতা: আজকাল চারিদিকে চোখের ইনফেকশন বা কনজাঙ্কটিভাইটিস খুব দেখা যাচ্ছে। ক্রমাগত বেড়েই চলেছে চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষার সাথে সাথে আবহাওয়ায় এই ভাইরাসের পরিমাণ বাড়ছে। পরিবারের একজন এই রোগে আক্রান্ত হলে পরিবারের অন্য সদস্যের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এটি। চোখে জ্বালা অস্বস্তি অনুভব হয়। এই সময় শরীর ও চোখ দুটিকেই আদ্র রাখা হলে এই সমস্যা কিছুটা হলেও এড়িয়ে চলা যায়। এই রোগ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের কি মত, কি বলছেন তারা? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
গায়ে জ্বর এবং চোখের ইনফেকশন চারিদিকেই ছড়িয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে তাই যেকোনো রোগ সংক্রমণের পরিমাণও বাড়ে। বাতাসে আদ্রতার কারণে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া খুব সহজেই তৈরি হয়। এবছর আগের বছরের তুলনায় জুলাই মাসে বৃষ্টি বেশি হয়েছে। এই রোগ এইবছর দ্রুতই ছড়িয়ে যাচ্ছে চারিদিকে।
এবার আলোচনা করা যাক সাবধানতা কিভাবে অবলম্বন করব তার উপরে।
চারিদিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। চশমা ব্যবহার করুন, বিশেষ করে বাইরে যাওয়ার সময়। প্রত্যেক দিনের নিজের ব্যবহারের জিনিস নিজেই ব্যবহার করবেন অন্য কাউকে দেবেন না। সংক্রমিত কোন ব্যক্তির থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। স্কুল,কলেজ, বা অফিসে এই রোগের আক্রান্ত রোগী থাকলে তাদের ছুটি নিতে বলুন।
ইনফেকশন হলে দিনে দুবার ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ ভালো করে ধুয়ে নিন। ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ ব্যবহার করবেন। নিজেরা দোকান থেকে ওষুধ কিনে ব্যবহার করবেন না। মেডিকেল স্টোরগুলিতে স্টেরয়েড যুক্ত ওষুধ দেওয়া হচ্ছে,যা আপনার অনেক ক্ষতি করতে পারে। চোখের ড্রপ ব্যবহার করুন।
এটি একটি ভাইরাল রোগ যেটি নিজে থেকে ঠিক হয়ে যাবে চিন্তা করার দরকার নেই। এটি সেরে উঠতে তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। একই বেসিন ,তোয়ালে এবং বালিশ ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে সবার মধ্যে। ভয় পাবার কিছু নেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সঠিক ওষুধ সহজেই আপনাকে সারিয়ে তুলবে।







