সামনেই লোকসভা নির্বাচন আর তার আগেই আদালত রায় দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ঝালদার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন তৃণমূল কাউন্সিলররা। একদিকে যখন সাংসদ মহুয়া মৈত্র কে বহিষ্কারের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বলেন, “খুবই দুঃখজনক। বিজেপি তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, ৫৫৭ পাতার রিপোর্ট দিয়ে আধ ঘণ্টার মধ্যে বহিষ্কার করা হল। ইন্ডিয়া জোটের সবাই এর ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করেছে। জোটের ঐক্যবদ্ধ রূপ সামনে এসেছে”। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি জানিয়ে বলেন, “একজন মহিলাকে যেভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা সেটাকে ধিক্কার জানাই”।
অন্যদিকে তখন, পুরসভার চেয়ারপার্সন হেভিওয়েট নেত্রী শীলা চট্টোপাধ্যায়ের নামে অনাস্থার ডাক দিলেন তৃণমূলেরই ৫ কাউন্সিলর এবং পরে যোগ দিলেন কংগ্রেসের আরও ২। শীলা চট্টোপাধ্যায় প্রথমে কংগ্রেসের সমর্থনে চেয়ারপার্সন পদে বসেন। পরে তৃণমূলে যোগদানও করেন। তবে তাঁকে নিয়ে শাসকদলের অন্দরেই যে মতবিরোধ এবার সরাসরি তা প্রকাশ্যে।







