গণধর্ষণ করে চলন্ত গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় এক তরুণীকে এমনই অভিযোগ উঠল ফরিদাবাদে । চলন্ত গাড়িতে এক তরুণীকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর সেই নির্যাতিতাকে গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন ওই নির্যাতিতা। ইতিমধ্যেই তার শরীরে ১২ টি সেলাই পড়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে কোতওয়ালি থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । অভিযোগ দায়ের করার পর ফরিদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ দুইজন সন্দেহভাজনকে আটক করে ।
একটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে গুরুগ্রাম ফরিদাবাদ রোডে ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, ওই তরুণীকে গাড়িতে তিন ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালানো হয়। এরপর গভীর রাত নাগাদ ঘন কুয়াশার মধ্যে গাড়িটিকে বিভিন্ন নির্জন এলাকায় চালানো হয়, যার জন্য কারোর কাছে সাহায্যও চাইতে পারিনি ওই তরুণী। পুলিশ সূত্রে খবর, মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বের হন ওই তরুণী। বোনকে বলে দিয়েছিল দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে বাড়িতে ঢুকে যাবে । কয়েক ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও, ওই তরুণী বাড়ি না ফেরায় চিন্তা হতে শুরু হয় পরিবারের।
অন্যদিকে বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার সময় কোন যানবাহন না পাওয়ায় একটি গাড়িতে লিফট নিয়েছিল ওই তরুণী। সেখানে ইতিমধ্যেই দুইজন যুবক ছিল। তার বলে দেওয়া গন্তব্যে না গিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে অন্য রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎই আশেপাশে থাকা উপযুক্তরা তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ও গণধর্ষণ করতে শুরু করে । গভীর রাত পর্যন্ত তরুণীর উপর লাগাতার নির্যাতন চলে । মঙ্গলবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ তাকে চলন্ত গাড়ি থেকে এসজিএম নগরের রাজা চক এলাকার মুলা হোটেলের কাছে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনাস্থল থেকে নির্যাতিতা নিজের বোনকে ফোন করেন ৷ এরপর ওই তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় নির্যাতিতার বোন। স্থানীয় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে দিল্লির হাসপাতালে রেফার করেন৷ কিন্তু নির্যাতিতার পরিবার তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷







