প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে জায়গা পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮ সাংসদের নাম। এমনকী তালিকায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু তৃণমূল সাংসদদের বিস্ময়—নাম ব্যবহার করা হলেও তাঁদের কেউই কোনও আমন্ত্রণপত্র পাননি!
শুক্রবার দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই প্রশাসনিক সভার বিজ্ঞাপনে উঠে এসেছে মালা রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তীদের নাম। তৃণমূলের অভিযোগ, এই নামগুলি ব্যবহার করে ‘সৌজন্যের রাজনীতি’ করা হচ্ছে, অথচ তাঁদের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা হয়নি।
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, “রাজনৈতিক সভার আড়ালে প্রশাসনিক নাটক চলছে। এটা কমেডি ছাড়া আর কিছু নয়।” সাংসদ মালা রায়েরও ক্ষোভ, “ওরা নিজেদের মতো অনুষ্ঠান করে। আমাদের কখনও ডাকে না। কার্ড পেলে নিশ্চয়ই বলতাম।”
বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—এভাবে নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক সৌজন্যের মুখোশ পরা হচ্ছে, অথচ বাস্তবে সহযোগিতার কোনও নমুনা নেই। দলটি একে প্রশাসনিক সৌজন্যের নামে ‘নাটক’ বলেই ব্যাখ্যা করেছে।
অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আমন্ত্রণপত্র সংক্রান্ত বিষয়টি আমি নিশ্চিত নই। তবে মালা রায় আগে উত্তর দিন, কলকাতা পুরসভার অধিবেশন হঠাৎ স্থগিত করা হল কেন?” পাল্টা প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “মমতার অনুষ্ঠানে কখনও বিরোধীদের নাম দেখা যায় না, এখানে অন্তত নাম ও ছবি তো দেওয়া হয়েছে!”
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি প্রশাসনিক সভার বিজ্ঞাপনকে রাজনৈতিক প্রচারে পরিণত করছে। বিষয়টি ঘিরে চড়ছে রাজনৈতিক তাপমাত্রা।







