দু’দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন শুল্কযুদ্ধ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূরাজনীতির আবহে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মোদি।
১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ
বৈঠক শেষে জানা যায়, আগামী এক দশকে ভারতীয় অবকাঠামো, প্রযুক্তি, খনিজ ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের নীল নকশা তৈরি করেছে জাপান। দুই দেশই “বিশেষ কৌশলী অংশীদারিত্ব” আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছে।
যৌথ বিবৃতি
বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্ত্রি জানান, ‘নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির জন্য অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে দুই দেশ। উন্মুক্ত ও স্বাধীন ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা। পাশাপাশি মোদি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের পাশে রয়েছে জাপান।
মহাকাশ সহযোগিতা: চন্দ্রযান-৫
সফরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মহাকাশ গবেষণায় সহযোগিতা। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এবং জাপানের জাক্সা একসঙ্গে চন্দ্রযান-৫ অভিযান চালাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য চাঁদের মাটিতে খনন ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জলের অস্তিত্ব খুঁজে দেখা।
বুলেট ট্রেন সফর
শুক্রবারই দুই প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বুলেট ট্রেনে টোকিও থেকে সেন্ডাই পর্যন্ত ভ্রমণ করেন। প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার দূরত্ব অল্প সময়েই পাড়ি দেন তাঁরা।
সামনে চিন সফর
প্রসঙ্গত, জাপান সফর শেষ করেই প্রধানমন্ত্রী মোদি চিনে পা রাখবেন। সেখানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে।







