সম্প্রতি জি ২৪ ঘণ্টায় এক সাক্ষাৎকার চলাকালীন সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে ফের শালীনতার মাপকাঠি ছাড়ান প্রবীণ বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তাঁর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সরব তৃণমূল কংগ্রেসও।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মমতাকে আক্রমণ করতে গিয়ে বারংবার বিতর্কে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁকে এই বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনও সতর্ক করে দেয়। তবে তা থামাতে পারেনি দিলীপকে।
দিলীপের মন্তব্য, ‘আমি চোরকে চোর বলি। অনেকের সেটা কুকথা মনে হতে পারে। যার কুকথা মনে হচ্ছে সে ব্যাটা নিজেও চোর। তাদের চরিত্র নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আর মহিলা হলেই কি তাঁর সম্পর্কে কিছু বলা যায় না? তিনি যাকে ইচ্ছা হোঁদলকুতকুত বলতে পারেন, হরিদাস পাল বলতে পারেন। আর দিলীপ ঘোষ পালটা বললে যত দোষ? দিলীপ ঘোষের দম আছে, তাই বলে। আমি তাঁকে মেয়েছেলে বলছি। উনি আমার নামে মামলা করুক। কেউ যদি আমার শব্দ নিয়ে আপত্তি করে তাতে কিছু যায় আসে না। যা দেখি তাই বলি। আর কিছু বলার জন্যে ক্ষমা চাইব কেন? কাদের কাছে ক্ষমা চাইব? এই চোরদের কাছে? আমার ততে বয়ে গিয়েছে।’
এহেন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কড়া নিশানায় সামিল হয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণালের জবাব, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা। তিনি দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি নারীদের সম্মান দিতে জানে না। যে সাংসদের বিরুদ্ধে আমাদের সোনার মেয়েদের শ্লীলতাহানি করার অভিযাগ, তাঁকে পাশে নিয়ে বসে থাকেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা। আর দিলীপ ঘোষ এখানে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কুৎসা করছেন। সস্তা প্রচারের জন্যেই এই কাজ। দিলীপ ঘোষকে তাঁর দলই কোণঠাসা করছে। সেই অবসাদ তিনি তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর মেটানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত।’







