ফোর্ট উইলিয়াম থেকে শুরু হয়েছিল মঞ্চ ভাঙা, আর তার রেশ যেন গড়িয়ে এল রাস্তায়। সোমবার মেয়ো রোডে তৃণমূলের ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ সরাল সেনা। আর তার পরের দিনই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য— রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামনে সেনার একটি ট্রাক আটকাল কলকাতা পুলিশ। মুহূর্তে ভিড় জমল রাজপথে, কৌতূহলী চোখ তাকাল ঘটনাস্থলের দিকে।
পুলিশ সূত্রে দাবি, বিপজ্জনকভাবে আসছিল সেনার ট্রাক। সিগন্যাল উপেক্ষা করেছিল, এমনকি নিয়ম ভেঙে ডানদিকে ঘুরতেও দেখা যায় তাকে। তাই ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা আটকায়। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা— ঠিক ওই ট্রাকের পিছনেই চলছিল নগরপাল মনোজ ভার্মার গাড়ি। সিপির গাড়ি পাশ কাটিয়েই সেনার ট্রাক ঘুরে যায় বলে ধরা পড়েছে সিসি ফুটেজে।
যদিও সেনার দাবি একেবারেই আলাদা। জওয়ানদের কথায়, গাড়ি ধীর গতিতেই চলছিল, সিগন্যাল অন্যদিকে ছিল। নগরপালের গাড়ি যে তাদের পিছনেই ছিল, তা জানতেনই না তারা। আর যেখানে ঘুরেছে, সেখানে বিভাজন বোঝা যাচ্ছিল না বলেও দাবি সেনাদের।
অন্যদিকে, পুলিশের তরফে অভিযোগ— নগরপালের গাড়ির একেবারে গা ঘেঁষে ট্রাক ঘোরানো হয়েছিল, যা বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত। এ নিয়েই শুরু হয় চাপানউতোর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ফোর্ট উইলিয়ামের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। পরে হেয়ার স্ট্রিট থানায় বসে হয় দীর্ঘ আলোচনাও।
প্রশ্ন উঠছে— এটা কি নিছকই ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, নাকি মঞ্চকাণ্ডের পর সেনা-পুলিশের দ্বন্দ্বের নতুন পর্ব? উত্তর খুঁজছে গোটা শহর।







