আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে SIR প্রক্রিয়া ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এবার শুক্রবার এই প্রক্রিয়ার আদালতের নজরদারির আবেদন পৌঁছাল হাই কোর্টের দোড়গোড়ায়। এই প্রক্রিয়া নিয়ে চলছে প্রবল রাজনৈতিক তরজা।
এবার এই ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে ডানা বাঁধল বিতর্কের। কলকাতা হাইকোর্টে এসআইআর প্রক্রিয়াকে আদালতের প্রযবেক্ষণে আনার দাবিতে একটি আবেদন দাখিল করা হয়। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে’র ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। যার ফলে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়েরের পথ খুলে গেল।
আবেদনকারীর দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়া যেন সম্পূর্ণভাবে আদালতের তত্ত্বাবধানে হয়। একইসঙ্গে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধির অনুরোধ করা হয়েছে। আবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, কেন এই প্রক্রিয়া চালু করা হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ব্যাখ্যা যেন জাতীয় নির্বাচন কমিশন উচ্চ আদালতের কাছে করে। এছাড়াও ২০০২ সালের ভোটার তালিকাও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার দাবি উঠেছে।
তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ, এসআইআরের আড়ালে এনআরসির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এমনকি এই প্রক্রিয়া নিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছে। একইসঙ্গে তার গলায় শোনা গেছে হুশিয়ারির সুর।
অন্যদিকে গেরুয়া শিবির পাল্টা দাবি করেছে তৃণমূল ভয়ের রাজনীতি করছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমনকি বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না বলেই আশ্বস্ত করেছেন তারা। এই অবস্থায় এসআইআর প্রক্রিয়া আদালতের পর্যবেক্ষণে হওয়ায় জ্বল কোন দিকে গড়ায়, সেই দিকে নজর থাকবে সকলের। সকলেই তাকিয়ে রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের পরবর্তী রায়ের জন্য।







