মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার আবহে ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার ঘোষণাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন Mojtaba Khamenei। তবে এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি এই সিদ্ধান্তে খুশি নই। দেখা যাক কী হয়।”
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-র সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাঁর মতে, তিনি এবং নেতানিয়াহু না থাকলে ইরান অনেক আগেই ইজরায়েলের নিরাপত্তাকে বড়সড় হুমকির মুখে ফেলতে পারত। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাযথ সময়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইতিমধ্যেই ইজরায়েল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, ইরানের নেতা যেই হোন না কেন, প্রয়োজনে তাঁকেও টার্গেট করে হামলা চালানো হতে পারে। ফলে নতুন সুপ্রিম লিডার ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হন। সেই হামলায় প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei। এরপরই ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় পরিষদের বৈঠকে নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
রবিবার গভীর রাতে এক বিশেষ বৈঠকে ভোটাভুটির মাধ্যমে মোজতবা খামেনেইকে ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের তৃতীয় সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। সোমবার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সেই খবর নিশ্চিত করে।
৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনেই দীর্ঘদিন ধরেই সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ইরানের শক্তিশালী সামরিক সংগঠন Islamic Revolutionary Guard Corps-এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলেও জানা যায়। যদিও শিয়া ধর্মীয় পরম্পরায় বাবা-ছেলের ধারাবাহিক নেতৃত্ব খুব একটা প্রচলিত নয়, তবুও শেষপর্যন্ত তাঁর হাতেই ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতা তুলে দেওয়া হল।







