আইপিএল ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন সমস্যার মুখে পড়তে হল গুজরাট টাইটান্সকে। আহমেদাবাদ থেকে হোটেলে ফেরার সময় আচমকাই দলের বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিটের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে স্বস্তির খবর, দলের কোনও ক্রিকেটার বা সাপোর্ট স্টাফের ক্ষতি হয়নি।
ফাইনাল শেষ হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল গুজরাট শিবির। পথে হঠাৎ বাসের ভিতর ধোঁয়া দেখা যায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত বাস থামানো হয় এবং সকল ক্রিকেটারকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। পরে জানা যায়, বাসটি আর চলাচলের উপযোগী ছিল না। ফলে অন্য একটি বাসের ব্যবস্থা করে দলের সদস্যদের হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয়।
ঘটনার সময় বাসে উপস্থিত ছিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল, মহম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাডাসহ গোটা দল। কেউ আহত না হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে শিবিরে। তবে বিকল্প বাস আসতে দেরি হওয়ায় ক্রিকেটারদের প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তার ধারে অপেক্ষা করতে হয়।
এরই মধ্যে গুজরাট টাইটান্সের ফাইনালের প্রস্তুতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর থেকেই যাত্রা সংক্রান্ত নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল দলকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী শনিবার দুপুরে চণ্ডীগড় থেকে চার্টার্ড বিমানে আহমেদাবাদে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু পাঞ্জাব ও রাজস্থানের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির জেরে বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে উড়ান সম্ভব হয়নি।
অবশেষে শনিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আহমেদাবাদে পৌঁছয় গুজরাট টাইটান্স। সেখান থেকে আরও প্রায় আধঘণ্টার সড়কপথ পেরিয়ে গান্ধীনগরের হোটেলে পৌঁছতে হয় দলকে। ফলে রাজস্থান ম্যাচের পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা প্রস্তুতির সুযোগ খুব একটা মেলেনি ক্রিকেটারদের। ২৪ ঘণ্টারও কম বিশ্রাম নিয়ে ফাইনালে মাঠে নামতে হয়েছিল তাদের।
ম্যাচ শেষে দলের ক্রিকেট ডিরেক্টর বিক্রম সোলাঙ্কি বলেন, “টানা এতগুলো ম্যাচ খেলার ফলে আমাদের ওপর ক্লান্তির প্রভাব ছিল। তবে সেই কারণ দেখিয়ে আরসিবির কৃতিত্বকে খাটো করতে চাই না।” ফাইনালে হারের ধাক্কা সামলানোর আগেই যে আরও একটি অপ্রত্যাশিত বিপত্তি অপেক্ষা করছিল, তা হয়তো তখনও ভাবতে পারেননি তিনি।







