আমেরিকার বিভিন্ন শহরে সময়ের পার্থক্য যতই থাকুক, লিওনেল মেসিকে ঘিরে উন্মাদনার কোনও টাইম জোন নেই। বিশ্বকাপের আবহে ডালাস শহর যেন এখন সম্পূর্ণভাবে মেসিময়। আর্জেন্টিনার ম্যাচকে ঘিরে এমন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যে, একটি টিকিট সংগ্রহ করাই কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
ডালাস বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই সেই ছবিই স্পষ্ট। প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল তারকা মাইক ওকোরো পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ম্যাচের একটি টিকিটের খোঁজ করছেন। কিন্তু বর্তমান বাজারে সেই টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য প্রায় আড়াই হাজার ডলার। ভালো আসনের জন্য গুনতে হতে পারে ৬,৫০০ ডলার পর্যন্ত।
মেসির জনপ্রিয়তা শুধু আমেরিকাতেই নয়, বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়া অঞ্চলের কোঁত্রাল শহরে স্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম মেসি ভাস্কর্য। প্রায় ২৬ মিটার উচ্চতার এবং ৭০ টন ওজনের এই ভাস্কর্য ইতিমধ্যেই পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসনের আশা, মেসির নামেই পর্যটনের নতুন দিগন্ত খুলবে শহরের।
এদিকে ডালাসেও পরিস্থিতি একইরকম উত্তপ্ত। আর্জেন্টিনা দলের আগমনের আগেই মায়ামি-সহ আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার সমর্থক শহরে পৌঁছে গিয়েছেন। রাস্তাঘাট, হোটেল, রেস্তোরাঁ— সর্বত্র দেখা যাচ্ছে আকাশি-সাদা জার্সির ঢেউ।
অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে একটি গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি। সেই সম্ভাব্য ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে মরিয়া ফুটবলপ্রেমীরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ডালাস প্রশাসন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় জায়ান্ট স্ক্রিন বসিয়েছে। কারণ, সকলের মাঠে প্রবেশের সুযোগ হবে না। তবে মাঠে হোক বা শহরের রাস্তায়, ডালাসে এখন একটাই নাম উচ্চারিত হচ্ছে বারবার— লিওনেল মেসি।







