বর্তমানে বহু পর্যটক বহু দূর দূরান্ত থেকে জম্মু কাশ্মীর ঘুরতে গেছে। সেরকমই স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে কাশ্মীরের পেহেলগাঁওতে ভ্রমনের উদ্দেশে গিয়েছিল কলকাতা নেতাজিনগর থানা এলাকার বৈষ্ণবঘাটা লেনের বাসিন্দা বিতান অধিকারী। তবে ঘুরতে গিয়ে আর বাড়ি ফেলা হলো। আতঙ্কের মধ্যে বিজেপি নেতার শঙ্কুদেব পান্ডা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তার স্ত্রী ও পুত্রের দিকে।
আগামী মাস অর্থাৎ মে মাসে ৩ তারিখ থেকে শুরু হবে অমরনাথ যাত্রা। সেই আবহাওয়ার মধ্যেই রক্তাক্ত হলো উপত্যকা। তাই এই হামলা ইঙ্গিত পূণ্য বলেই মনে করছে অনেকেই। ইতিমধ্যে পেহেলগাওতে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ২৬ জন পর্যটক। ক্রমশ বৃদ্ধি হচ্ছে প্রাণহানি সংখ্যা। পাশাপাশি একাধিক রিসোর্টে ঢুকেও জঙ্গিরা গুলিবর্ষণ করে। যার ফলে লনের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে থাকতে দেখা যায় পর্যটকদের রক্তাক্ত দেহ। এখনো পর্যন্ত দুষ্কৃতিতে এলোপাথাড়ি গুলিতে আহত হয়েছে প্রচুর মানুষ।
এবার সেই মৃতদের সংখ্যার মধ্যে রয়েছে নেতাজি নগরের বাসিন্দা বিতান অধিকারী। এখনো পর্যন্ত কাশ্মীরের মাটিতে তীব্র আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে তার স্ত্রী ও পুত্র। সেখানে রীতিমতো অসহায় অবস্থায় সাহায্যের জন্য বিতান অধিকারী স্ত্রী ফোন করেন বিজেপি নেতার শঙ্কুদেব পান্ডার কাছে।
পেহলেগাঁও থেকেই বিতানের স্ত্রী বানিয়েছে জঙ্গিরা হামলা চালানোর সময় বারংবার ধর্মের বিষয়ে জিজ্ঞেস করছিল। এমনকি কপালের সিদুর দেখলেই গুলি করে ঝাজরা করে দিচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি। বিজেপি নেতার সাহায্যে অতি দ্রুততার সঙ্গে ময়নাতদন্তের পর বিদান অধিকারী স্ত্রী ও পুত্র দেশে ফিরতে চলেছে।







