খেলাধুলা কূটনীতির বাইরে নয়, কিন্তু তার গায়ে রাজনীতির রঙ চড়ালে আন্তর্জাতিক দায় এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। ঠিক সেই কারণেই অবশেষে পাকিস্তান হকি দলের জন্য দরজা খুলে দিল ভারত। পহেলগাঁও হামলার পরে পাক-বিরোধী মনোভাব জারি থাকলেও ২০২৫ সালের গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়াযজ্ঞ সামনে রেখে কেন্দ্র বাধ্য হয়েছে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে। এর পিছনে শুধু কূটনৈতিক নয়, রয়েছে অলিম্পিক স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার তাগিদও।
আগামী অগস্টে রাজগীরে হতে চলেছে হকি এশিয়া কাপ এবং সেপ্টেম্বরে চেন্নাইয়ে জুনিয়র বিশ্বকাপ। আয়োজক দেশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলিকে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করানোর দায়ভার ভারতের উপরই। কিন্তু পাকিস্তানের অনুপস্থিতি সেই দায়িত্বে ফাঁক ফেলছিল। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের কড়া বার্তা, প্রয়োজনে আয়োজক হিসেবে ভারতের উপরই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে ক্রীড়া মন্ত্রকের নীতিগত সায় পেয়ে খানিকটা স্বস্তিতে হকি ইন্ডিয়া। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের হকি দলের খেলোয়াড় ও কোচদের ভিসা মঞ্জুরের অনুমোদন ইতিমধ্যেই মিলেছে। যদিও সরকারি ভাবে ঘোষণা হয়নি, তবে খুব শিগগিরিই তা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত শুধু হকির জন্য নয়, ভারতের ক্রীড়া কূটনীতির ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০৩০ কমনওয়েলথ বা ২০৩৬ অলিম্পিক্স আয়োজনের আশা জিইয়ে রাখতে হলে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মানতেই হবে ভারতকে। তাই হকি দিয়ে আপাতত শুরু কূটনৈতিক সমঝোতার।







