পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়াটাই কি তবে ছিল কাল? মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে পড়লো এক তরুণী। পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি ঘোরাতে গিয়ে গাড়ির স্পীড বেরে গাড়ি গিয়ে পরলো ৩০০ ফুট গভীর খাদে। আর তাতেই প্রাণ হারালেন সেই সময়ে চালকের আসনে উপস্থিত থাকা ২৩ বছর বয়সি শ্বেতা। ঘটনাস্থল, মহারাষ্ট্রের সুলিভঞ্জন পাহাড়। সেখানেই সোমবার বিকেলে ঘটে গেলো এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এই আচমকা দুর্ঘটনার ভিডিও করেছে মৃত তরুণীর বন্ধু সূরজ।
জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে ২৩ বছর বয়সি শ্বেতা দীপক সুরওয়াজ ও তার ২৫ বছর বয়সি বন্ধু সূরজ সঞ্জাউ মুলে ঔরঙ্গাবাদ থেকে সুলিভঞ্জন পাহাড়ে গিয়েছিলেন। বর্ষাকালে ভ্রমণ করার জন্য দারুন এই সুলিভঞ্জনের দত্তাত্রেয় মন্দির এলাকা। কিন্তু কে জানত, ঘুরতে গিয়ে তরুণীকে তার প্রাণ বলি দিতে হবে!
তরুণীর বন্ধু রেকর্ড করা ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে, শ্বেতা সদ্য সদ্য গাড়ি চালানো শিখছিলেন। এখনও হাত পাকেনি তার। আর সেই গাড়ি চালানো দেখার ভিডিওই রেকর্ড করেছিলেন তার বন্ধু সূরজ।
আর ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্বেতা সাদা রঙের একটি গাড়ি ব্যাক করছেন। খাদের থেকে তখনও দূরত্ব রয়েছে ৫০ মিটার। কিন্তু পিছনে গভীর খাদের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে আচমকাই বেরে যায় গাড়ির স্পিড। তখনই ক্যামেরার এপার থেকে সূরজের গলায় শোনা যায়, ‘ক্লাচ, ক্লাচ ক্লাচ!’ কিন্তু গতি কমে না। ক্রমশ খাদের দিকে এগিয়ে যায় সেটি। তখনই সূরজ চিৎকার করে ওঠেন, সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে যান শ্বেতাকে থামাতে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়না। গাড়ি গিয়ে পরে গভীর খাদে আর প্রাণ হারান শ্বেতা।







