নিজস্ব সংবাদদাতা: কল্যাণীর Bengal Cricket Academy Ground-এ রঞ্জি সেমিফাইনাল জমে উঠেছে। দ্বিতীয় দিনের শেষে ম্যাচের রাশ আপাতত বাংলার হাতে, তবে ফলাফল এখনও খোলা—যে কোনও দিকে হেলে যেতে পারে।
সুদীপের ধৈর্য, বাংলার ৩২৮
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ২৪৯/৫ থেকে ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান Sudip Kumar Gharami। কোয়ার্টার ফাইনালের ত্রিশতরানের পর সেমিফাইনালেও সেঞ্চুরি—১৪৬ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেন তিনি। ধৈর্য, শট-নির্বাচন এবং পরিস্থিতি বোঝার দক্ষতায় বাংলাকে শক্ত ভিত দেন।
তবে Auqib Nabi-র বলে সুদীপ আউট হতেই ভেঙে পড়ে লোয়ার অর্ডার। Sumanta Gupta ৩৯ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও শেষ পাঁচ উইকেট দ্রুত পড়ে যায়। ৯৭.১ ওভারে বাংলা অলআউট ৩২৮। শুরুটা মজবুত হলেও ৩৫০–৩৭৫-এ পৌঁছনোর সুযোগ হাতছাড়া হয়।
সামির আগুনে স্পেল
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে Jammu & Kashmir cricket team। নতুন বলে আগুন ঝরান Mohammad Shami। দ্রুত ফেরান Shubham Khajuria ও Yawer Hassan-কে। স্কোর একসময় ১৩/২। দিনের শেষে সামির পরিসংখ্যান ১৩ ওভারে ৩/৬০—লেংথ ও সিম মুভমেন্টে ব্যাটারদের অস্বস্তিতে রাখেন তিনি।
চাপ সামাল দিতে লড়াই করেন Shubham Pundir ও অধিনায়ক Paras Dogra। মাঝের সেশনে জুটি গড়ে কিছুটা স্থিতি ফেরে। তবু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ায় পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ানো যায়নি। দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীর ১৯৮/৫ (৫১ ওভার)। ক্রিজে অপরাজিত Kanhaiya Wadhawan ও Abid Mushtaq। বাংলার থেকে এখনও ১৩০ রানে পিছিয়ে।
ম্যাচের সমীকরণ
দ্বিতীয় দিন কার্যত বোলারদের। সকালে বাংলার ব্যাটিংয়ে ধস, বিকেলে জম্মু-কাশ্মীরের টালমাটাল অবস্থা। সামিকে সমর্থন দিয়েছেন Akash Deep ও Suraj Jaiswal।
তৃতীয় দিন নির্ধারণ করবে সেমিফাইনালের মোড়। জম্মু-কাশ্মীর যদি প্রথম ইনিংসে লিড নিতে পারে, চাপ বাড়বে বাংলার ওপর। অন্যদিকে দ্রুত বাকি পাঁচ উইকেট তুলে নিতে পারলে ফাইনালের দরজা অনেকটাই খুলে যাবে বাংলার সামনে। কল্যাণীর সবুজ গ্যালারিতে তাই অপেক্ষা—কার দাপটে বদলাবে ম্যাচের ছবি?







