হরিয়ানার গন্নৌর গ্রামের পুরখাস রাঠির ২০ বছরের যুবক জতিন এক মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হলেন। হরিদ্বার থেকে ৫১ লিটার গঙ্গাজল কাঁধে বহন করে ফিরছিলেন তিনি, পরিবারের প্রিয় দাদু আতার সিংয়ের জন্য। দাদুর বয়স ৮৫—তাঁকে গঙ্গাজল স্নান করাতে চেয়েছিলেন জতিন, গত বছর সফলভাবে ৩১ লিটার জল বহনের পর এবারে তিনি এই কঠিন সংকল্প করেছিলেন।
তবে এবার যাত্রাপথে, উত্তরপ্রদেশের শামলীর কাছে এসে ঘটল দুর্ঘটনা। অতিরিক্ত ওজনের কারণে জতিনের কাঁধের মাংসপেশি ছিঁড়ে যায়। তীব্র যন্ত্রণা সত্ত্বেও তিনি যাত্রা থামাননি। ব্যথা কমাতে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খেতে থাকেন। কিন্তু এই ওষুধের অতিরিক্ত প্রভাবে তাঁর লিভার ও কিডনি বিকল হয়ে পড়ে।
শেষ পর্যন্ত ২৭ জুলাই, শনিবার—মহান ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রতীক এই যুবকের জীবনাবসান ঘটে। ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক ভালোবাসা এবং অদম্য সংকল্পের এই যাত্রা এক করুণ পরিণতিতে এসে শেষ হয়। গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জতিনের এই আত্মত্যাগ আজ অনেককেই ভাবিয়ে তুলেছে—ধর্মের নামে এমন চরম শারীরিক কষ্ট কি সত্যিই প্রয়োজন?







